মানুষের অভিযোগ থাকে যে, রাজনীতিবিদেরা জনসেবার কথা বলে ক্ষমতায় যায় পরে তারা জনসেবা না করে নিজেদের সেবা করে। মানুষের এই কথার ভিত্তি নাই এমন কথা বলা যাবে না।
বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকা থেকে নির্বাচিত রাজনীতিক জনপ্রতিনিধি নির্বাচনকালে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তার বাস্তবায়ন না করে তিনি নিজে হঠাৎ করে ধন রত্নের পাহাড়ের মালিক হয়ে গেছেন। এমন উদাহরণ এক দুইটি নয় শত শত এবং হাজার হাজার।
রাজনীতি আর জনসেবার এই সমস্যা আগেও ছিল। এখনও আছে। কিন্তু ভবিষ্যতেও কি থাকবে?
যদি এই সমস্যা ভবিষ্যতেও থাকে তাহলেতো এই দেশের ভবিষ্যৎ অন্ধকার। রাজনীতিবিদেরা জনসেবার কথা বলে ক্ষমতায় যাবেন তারপর জনসেবা না করে লুটপাট করবেন। এটা কীভাবে চলতে দেওয়া যায় বছরের পর বছর!
রাজনীতির মূল কথাই হলো সাধারণ মানুষের অধিকারের ব্যাপারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করা। মানুষ জীবনযাপন করতে গিয়ে কোন সমস্যায় পড়লে সেই সমস্যা থেকে পরিত্রাণের জন্য অন্য মানুষের দিকে তাকায়। তখন রাজনীতিবিদেরাই আগে এগিয়ে আসে। এই চিত্র আগে ছিল।
মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জিয়াউর রহমান প্রমুখ নেতাদের জনদরদী ছিলেন বলে আমরা বই পাঠের মাধ্যমে জেনেছি।
পড়ুন: ভারতকে আরব বিশ্বের কড়া বার্তা।
রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যে সংস্কৃতি এখন চলছে তা অবশ্যই বাতিল করে নেতা-কর্মীদের উন্নত চরিত্রের অধিকারী করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করুন। নৈতিকতা ও মহৎ আদর্শের রাজনীতি ফিরিয়ে আনা দেশের জন্য দরকার।
রাজনীতি মানুষের কল্যাণের জন্য। নেতাদের ধনী হবার জন্য নয়।